নেইমারকে কেউ দলে চায় না…

বিপুল পরিমাণ অর্থের লোভ আর খ্যাতির আকাঙ্খা নিয়ে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনে (পিএসজি) পাড়ি জমিয়েছিলেন নেইমার। কিন্তু ফরাসি লিগে শুরু থেকেই বাজে সময়ের শিকার হন তিনি।

পিএসজিতে যাওয়া পরই নেইমার বুঝতে পারেন তার জায়গা এই জায়গা নয়; ক্লাব চিন্তে বড় ভুল করে ফেলেছেন! সেইসঙ্গে দুই মৌসুমেই দু’বার বড় বড় ইনজুরিতে পড়ে ক্লাবকেই পুরোপুরি সার্ভিস দিতে পারেননি। সেইসঙ্গে এডিনসন কাভানিসহ বেশ কয়েকজনের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন নেইমার।

অতঃপর যথারীতি নেইমারের দলবদলের নাটক শুরু হয়ে যায়। মুখে না বললেও আকারে ইঙ্গিতে নেইমার বুঝিয়ে দেন যে, তিনি আবারও বার্সেলোনায় ফিরতে চান। কিন্তু চাইলেই তো সব হয় না। পিএসজির সঙ্গে বার্সার সম্পর্ক মধুর নয়। যে কারণে পিএসজি তাকে বার্সা ছাড়া অন্য যে কোনো ক্লাবে বেঁচতে রাজী। এই সুযোগে রিয়াল মাদ্রিদ মাঠে নামে। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত পিএসজিকে কোনো প্রস্তাবই দেয়নি! এদিকে নেইমারের এই ‘যাচ্ছি’ ‘যাব’ মানসিকতায় বেজায় চটে গেছেন পিএসজি মালিক নাসের খেলাইফি।

কিছুদিন আগে পিএসজি মালিক হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, তিনি নেইমারকে বিক্রিও করবেন না আবার মাঠেও নামাবেন না। চুক্তির বাকী সময় ডাগ-আউটে বসিয়ে রাখবেন! এজন্য তারা নেইমারের জন্য ২৫০ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা) দর হাঁকিয়ে রেখেছেন যাতে কোনো ক্লাব তাকে কিনতে আগ্রহী না হয়। এখন এত টাকা দিয়ে ইনজুরিপ্রবণ একজন ফুটবলারকে কোনো ক্লাবই কিনতে চাইছে না। বাধ্য হয়ে নেইমার পিএসজিতেই আবার মনযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

স্প্যানিশ পত্রিকা ‘মার্কা’ জানিয়েছে, নেইমার ইতিমধ্যেই পিএসজিতে তার সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন। তিনি নাকি বুঝে গেছেন যে, কোনো ক্লাবেই সম্ভবত তার যাওয়া হচ্ছে না। আর যেহেতু দলবদল হচ্ছে না, সেহেতু বসে থেকে লাভ নেই। এ কারণে গতকাল শনিবার তাকে সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে দেখা গেছে। মৌসুমের প্রথম ম্যাচে পিএসজির একাদশে ছিলেন না নেইমার। শোনা যাচ্ছে, খুব দ্রুতই যে তিনি একাদশে জায়গা পাবেন এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।  স্টাডে রেনেসের বিপক্ষে আজ রাতেই মাঠে নামার কথা রয়েছে পিএসজির।

হাথুরু নেই তো কী হয়েছে আমাদের!

গল টেস্ট নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। পঞ্চম দিনে লাঞ্চের আগেই ২৬৮ রানের লক্ষ্য ছুঁয়েছে স্বাগতিকেরা

চণ্ডিকা হাথুরুসিংহের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। সেই হাথুরুসিংহেকে তাঁর ‘কর্মগুণে’র জন্যই সম্পর্কটা শুধু কাগজে-কলমে রেখেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। এ সিদ্ধান্তের পর লঙ্কান সংবাদমাধ্যম একটা শঙ্কাও তুলে ধরেছিল, ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে কৌশল ঠিক করে দেবে কে? অন্তর্বর্তীকালীন কোচ আছে ঠিকই কিন্তু তিনি তো আর হাথুরুর মতো ‘থিংক ট্যাংক’ নন। জবাবটা দিয়ে দিলেন খেলোয়াড়েরাই। হাথুরু নেই তো কী হয়েছে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জিততে কোনো অসুবিধাই হয়নি দিমুথ করুণারত্নের দলের।

জয়ের জন্য চতুর্থ ইনিংসে ২৬৮ রানের লক্ষ্য পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। গলে স্পিনবান্ধব উইকেট টেস্টের চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে আরও ভয়ংকর হয়। কাল চতুর্থ দিনে বিনা উইকেটে ১৩৩ রান তুলে লঙ্কানরা বুঝিয়ে দিয়েছিল, বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা দল প্রতিপক্ষ হলেও সেটি কোনো সমস্যা নয়। বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ইংল্যান্ড যেমন প্রথম টেস্টে মাঠে নেমেই হেরেছে তেমনি ফাইনাল খেলা আরেক দলকেও তাঁদের প্রথম টেস্টে হারানো সম্ভব। আজ তা প্রমাণ করতে মাত্র ৩৬.১ ওভার লেগেছে শ্রীলঙ্কা। সময়ের হিসেবে লাঞ্চের কিছু পরই ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। স্বাগতিকদের জয় প্রায় নিশ্চিত থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে লাঞ্চ বিরতিতে যায়নি দুই দল। প্রথম সেশনের খেলার সময় আরবও ৩০ মিনিট বাড়ানো হয়।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ বছর পর শ্রীলঙ্কার এই প্রথম টেস্ট জয়ে চতুর্থ ইনিংসের নায়ক দুই ওপেনার। আরও নির্দিষ্ট করে বললে অধিনায়ক করুণারত্নে। ২৪৩ বলে ১২২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন করুণারত্নে। ৬৪ রান করেছেন আরেক ওপেনার লাহিরু থিরিমান্নে। ওপেনিং জুটিতে ১৬১ রান তোলেন দুজন। আর এখানেও উঠে আসছে হাথুরুসিংহের প্রসঙ্গ। শ্রীলঙ্কার মাটিতে এর আগে চতুর্থ ইনিংসে স্বাগতিকদের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ওপেনিং জুটিতে জড়িয়ে আছে হাথুরুসিংহের নাম। ১৯৯২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১১০ রান তুলেছিলেন রোশন মহানামা ও হাথুরুসিংহে। শ্রীলঙ্কা সেই টেস্ট জিততে না পারলেও করুণারত্নে-থিরিমান্নেরা কিন্তু দেখিয়ে দিলেন।

হাথুরু কোচ থাকতে বেশ ভালোই ঠোকাঠুকি হয়েছে ম্যাথুসের সঙ্গে। আর দিনেশ চান্ডিমাল ও নিরোশান ডিকভেলাকে তো দল থেকে ছেঁটেই ফেলেছিলেন হাথুরু। এ দুজনকে দলে ফিরিয়েই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জিতল শ্রীলঙ্কা। প্রথম ইনিংসে ৫০ আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৩ বলে ২৮ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে ম্যাথুসও বুঝিয়ে দিলেন, যতই ক্রান্তিকালীন সময় যাক এই শ্রীলঙ্কা হাথুরু ছাড়াও পারে।

এশিয়ার মাটিতে চতুর্থ ইনিংসে এটি এগারোতম সফল রান তাড়ার নজির। অভিজ্ঞ অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও দনঞ্জয়া সিলভা দুই প্রান্ত ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করেছেন শ্রীলঙ্কার।

হাথুরু নেই তো কী হয়েছে আমাদের!

গল টেস্ট নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। পঞ্চম দিনে লাঞ্চের আগেই ২৬৮ রানের লক্ষ্য ছুঁয়েছে স্বাগতিকেরা

চণ্ডিকা হাথুরুসিংহের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। সেই হাথুরুসিংহেকে তাঁর ‘কর্মগুণে’র জন্যই সম্পর্কটা শুধু কাগজে-কলমে রেখেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। এ সিদ্ধান্তের পর লঙ্কান সংবাদমাধ্যম একটা শঙ্কাও তুলে ধরেছিল, ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে কৌশল ঠিক করে দেবে কে? অন্তর্বর্তীকালীন কোচ আছে ঠিকই কিন্তু তিনি তো আর হাথুরুর মতো ‘থিংক ট্যাংক’ নন। জবাবটা দিয়ে দিলেন খেলোয়াড়েরাই। হাথুরু নেই তো কী হয়েছে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জিততে কোনো অসুবিধাই হয়নি দিমুথ করুণারত্নের দলের।

জয়ের জন্য চতুর্থ ইনিংসে ২৬৮ রানের লক্ষ্য পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। গলে স্পিনবান্ধব উইকেট টেস্টের চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে আরও ভয়ংকর হয়। কাল চতুর্থ দিনে বিনা উইকেটে ১৩৩ রান তুলে লঙ্কানরা বুঝিয়ে দিয়েছিল, বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা দল প্রতিপক্ষ হলেও সেটি কোনো সমস্যা নয়। বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ইংল্যান্ড যেমন প্রথম টেস্টে মাঠে নেমেই হেরেছে তেমনি ফাইনাল খেলা আরেক দলকেও তাঁদের প্রথম টেস্টে হারানো সম্ভব। আজ তা প্রমাণ করতে মাত্র ৩৬.১ ওভার লেগেছে শ্রীলঙ্কা। সময়ের হিসেবে লাঞ্চের কিছু পরই ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। স্বাগতিকদের জয় প্রায় নিশ্চিত থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে লাঞ্চ বিরতিতে যায়নি দুই দল। প্রথম সেশনের খেলার সময় আরবও ৩০ মিনিট বাড়ানো হয়।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ বছর পর শ্রীলঙ্কার এই প্রথম টেস্ট জয়ে চতুর্থ ইনিংসের নায়ক দুই ওপেনার। আরও নির্দিষ্ট করে বললে অধিনায়ক করুণারত্নে। ২৪৩ বলে ১২২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন করুণারত্নে। ৬৪ রান করেছেন আরেক ওপেনার লাহিরু থিরিমান্নে। ওপেনিং জুটিতে ১৬১ রান তোলেন দুজন। আর এখানেও উঠে আসছে হাথুরুসিংহের প্রসঙ্গ। শ্রীলঙ্কার মাটিতে এর আগে চতুর্থ ইনিংসে স্বাগতিকদের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ওপেনিং জুটিতে জড়িয়ে আছে হাথুরুসিংহের নাম। ১৯৯২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১১০ রান তুলেছিলেন রোশন মহানামা ও হাথুরুসিংহে। শ্রীলঙ্কা সেই টেস্ট জিততে না পারলেও করুণারত্নে-থিরিমান্নেরা কিন্তু দেখিয়ে দিলেন।

হাথুরু কোচ থাকতে বেশ ভালোই ঠোকাঠুকি হয়েছে ম্যাথুসের সঙ্গে। আর দিনেশ চান্ডিমাল ও নিরোশান ডিকভেলাকে তো দল থেকে ছেঁটেই ফেলেছিলেন হাথুরু। এ দুজনকে দলে ফিরিয়েই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জিতল শ্রীলঙ্কা। প্রথম ইনিংসে ৫০ আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৩ বলে ২৮ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে ম্যাথুসও বুঝিয়ে দিলেন, যতই ক্রান্তিকালীন সময় যাক এই শ্রীলঙ্কা হাথুরু ছাড়াও পারে।

এশিয়ার মাটিতে চতুর্থ ইনিংসে এটি এগারোতম সফল রান তাড়ার নজির। অভিজ্ঞ অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও দনঞ্জয়া সিলভা দুই প্রান্ত ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করেছেন শ্রীলঙ্কার।