শিক্ষাসংস্কৃতি

বাংলাদেশে কুরআনের তারকা সা’আদ সুরাইল

0

সাআদ সুরাইল- ২০১২ সালে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ৭৩টি দেশের মাঝে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। সাআদের পিতার নাম মাওলানা কারী আবদুল জলিল এবং মাতার নামরহিমা আক্তার জেসমিন। হেফজুল কুরআন সমাপ্ত করার পর বর্তমানে আলিশ ২য় বর্ষে পড়াশোনা করছেন সাআদ। ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করার সাআদ সুরাইল নারায়নগঞ্জস্থ রূপগঞ্জ তারাবোর কৃতী সন্তান। সাআদ সুরাইল মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার প্রাক্তন ছাত্র।

আপনি কেন হাফেজ হয়েছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন প্রথমত আমার বাবা-মার স্বপ্ন ছিল- তারা আমাকে কুরআনের হাফেজ বানাবেন। এছাড়া আমারও ছোট থেকেই স্বপ্ন ছিল যে, আমি হাফেজ হবো। সেই সাথে বাংলাদেশে গবেষণামূলক হেফজ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলবো। আমাদের দেশে সাধারণভাবে শুধু কুরআন মুখস্থ করা হয় কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় হলে সেখানে কুরআনের প্রতিটি বিষয়ে আলাদা আলাদা করে গবেষণা করা হবে। আমি হাফেজ হওয়ার আগেই এটা আমার স্বপ্ন ছিল।

# আপনি একজন বাংলাদেশি হিসাবে এতো বড় একটি অর্জন করেছেন। এই ক্ষেত্রে আপনার অনুভূতিটা কী?

এই প্রশ্নের উত্তরে সাআদ সুরাইল বলেন: আসলে এই বিষয়টি আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে যতটা না ভালো লাগে, তার থেকে আরো ভালো লাগে যখন আমি ভাবি আমি দেশের জন্য কিছু করতে পেরেছি। আমার মাধ্যমে আমার দেশের নাম উজ্জ্বল হয়েছে। আমি যখন প্রথম হয়েছি, আমার নাম ঘোষণা করার পর আমার বাবার নাম ঘোষণা করেছেন তার পরই বলেছে আমি বাংলাদেশের সন্তান। আমার নাম ঘোষণা শুনে আমি যতটা না আনন্দ পেয়েছিলাম, তার থেকে অনেকগুণ বেশি আনন্দ পেয়েছি যখন বলেছে আমি বাংলাদেশের প্রতিনিধি। আমি যখন সেই অনুষ্ঠানে পুরষ্কার গ্রহণ করি তখন আমি বাংলাদেশের পতাকাসহ গিয়ে পুরষ্কার গ্রহণ করেছি।

#আপনার এই অর্জনের নেপথ্যে কার বা কাদের অবদান সব থেকে বেশি?

এই প্রশ্নের উত্তরে সাআদ সুরাইল বলেন: এই ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি অবদান হচ্ছে আমার বাবা-মার। আমাকে নিয়ে তাদের একটা অতিরিক্ত পরিশ্রম ছিল। সেই সাথে আমার উস্তাদরাও আমার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। অনেক রাত জেগে তারা আমার তেলাওয়াত শুনেছেন এবং অনুশীলন করিয়েছেন।

ঢাকা বার্তা

ইসলামী সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ চান উবায়দুল্লাহ

Previous article

You may also like